More

31 March 2016

New Bangla Drama (HD) l Trip Teen l Hera, Allen Shuvro, Jovan, Shawon l ...



Thanks for Everyone

30 March 2016

কি ভুল করে কিছু সফটওয়্যার ইন্সটল করেছেন, আনইন্সটল করতে পারছেন না দেখেন নি এই সফটওয়্যার টি দেবে সকল সমাধান

প্রথমেই সালাম নিন, কেমন আছেন সকলে আশা করি ভাল ও সুস্ত। আজকের এই পর্বে থাকছে আপনাদের জন্য ১ টি আপডেট প্রিমিয়াম সফটওয়্যার। ত দেরি কেন আসুন জেনে নেই সফটওয়্যার গুল সম্পর্কে।
আজ আবারো আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম আমার দেখা অন্যতম সবচেয়ে ভাল Uninstaller সফটওয়্যার যা আপনাকে দেবে সকল সফটওয়্যার কে আনইন্সটল করার সুবিধা। অনেক সময় আমারা নানান প্রকার সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকি যা পরে উইন্ডোজ এর ডিফল্ট অপশন এও নাই তো সেই সময় এই সফটওয়্যার টি আপনাদের কাজে লাগবে অনেক ভাল ভাবে। তো দেখুনঃ

Revo Uninstaller Pro 3.1.2 Crack:

এই সফটওয়্যার দিয়ে শুধু Uninstall ছাড়াও আপনার পিছি কে ফাস্ট রাখার জন্য আরও অনেক টুল আছে। যেগুলো খুবই কাজের এই সফটওয়্যার টি এর কিছু সুবিধা সমুহঃ
  • সহজেই দেখতে পারবেন আপনার পিছি তে ইন্সটল করা সফটওয়্যার গুল।
  • অনেক সহজেই আনইন্সটল করতে পারবেন।
  • ডিফল্ট আনইন্সটল এ না থাকলেও এখানে পাবেন সেই সফটওয়্যার টি।
  • ব্যাবহার অনেক সহজ ও বন্ধু সুলভ।
  • পিছি ক্লিন করার সুবিধা রয়েছে।
  • অনেক ফাস্ট একটি সফটওয়্যার।
তো দেরি কেন ডাউনলোড করে নিন।
বিদ্রঃ এর আগে অনেক ডাউনলোড সার্ভার ব্যাবহার করতাম কিন্তু অনেকেই সেগুল থেকে ডাউনলোড করতে পারে না, সবাই মিডিয়া ফায়ার চায়, কিন্তু এটাতেও সমস্যা কিছু দিন পরেই ডিলিট করে দেবে। তাই এবার মিডিয়া ফায়ার এই দিলাম।
Thanks for Everyone

আপনার এন্ড্রয়েড ফোনকে ব্যবহার করুন ওয়াকিটকি হিসেবে

দুইটা এন্ড্রয়েড ডিভাইস একই ওয়াইফাই জোনে কানেক্ট থাকলে ওয়াইফাই ওয়াকিটকি অ্যাপটা দিয়ে আন্ড্রয়েড ফোন দুটি ওয়াকিটকি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সুন্দর এবং সহজ ইউজার ইন্টারফেস। অ্যাপটি ওপেন করলে নিচের দিকে একটি বাটন দেখা যাবে। Press to Talk নামে। Press to Talk  বাটনে প্রেস করে ধরে রেখে কথা বললে অন্য ফোন থেকে শোনা যাবে। যত ইচ্ছে তত। ফ্রি :)
অফিসের এক ডেস্ক থেকে অন্য ডেস্কে বা একটা রুম থেকে অন্য রুমে ওয়াকিটকির মত কথা বলা যাবে। বাচ্চারাদের সাথেও মজা করা যাবে অ্যাপটি দিয়ে। বাচ্চারা তো ওয়াকি টকি  টাইপ খেলনা গুলো দিয়ে খেলতে পছন্দ করে। এখন খেলনা না কিনে দিয়ে ফোনে এন্ড্রয়েড অ্যাপটি ইন্সটল করে দিলেই কাজ হবে। তারা খেলতে পারবে।
অ্যাপটির বড় সুবিধে হচ্ছে ওয়াইফাই না থাকলে এন্ড্রয়েড হটস্পট দিয়ে ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করেও ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ফ্রিতে ডাউনলোড করা যাবে। 

বিদ্রঃ একই অ্যাপ দুইটা ফোনেই ওপেন থাকতে হবে। 

ওয়াইফাইন না থাকলে এন্ড্রয়েড ফোন থেকেই হটস্পট চালু করতে পারেন। তার জন্য নিচের গাইডলাইনটি দেখতে পারেন। এন্ড্রয়েডের সেটিং মেনুর ভেতর connection এর মধ্যে হটস্পট সেটিং পাওয়া যাবে।
> setting
> connection
> tethering and portable hotspot
> portable Wi-Fi hotspot (on/off)
তাহলে হটস্পট চালু হবে। অন্য এন্ড্রয়েড সেটে তৈরি করা ওয়াইফাই হটস্পটে কানেক্ট করুন। এবং অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

আমাদের আরো দুইটি  অ্যাপ হচ্ছে Photo Resizer Plus, যেটা দিয়ে এন্ড্রয়েডে ছবির সাইজ কমানো যায়।  ডাউনলোড লিঙ্ক।

Thanks for Everyone

কীভাবে আপনি হ্যাকিং লাইফ শুরু করবেন?

হ্যালো টেকটিউনস কমিউনিটি, কেমন আছেন সবাই? প্রযুক্তির বেড়াজালে আশা করি ভালোই আছেন। কিন্তু আপনি হয়তো আরও ভালো হয়ে যাবেন আজকের টিউন পড়ে। এই লেখালেখি জীবনে অনেকে অনেক টিউনের জন্য রিকুয়েস্ট করে। কিন্তু আমার জানার সাধ্যে না গেলে "না" বলে দেয়, কিন্তু অনেক সময় অনেকে নাছোড় বান্দা হয়ে যায়। আবার অনেক সময় এমন কোন টিউনের রিকুয়েস্ট করে যা আমি জানি না বা সামান্য যা জানি তা দিয়ে একটা টিউন করা কষ্ট হয়ে যায়।
ঠিক এরকমই একটি টপিকস হ্যাকিং। আমি নিজে এভাবে হ্যাকিং নিয়ে পড়াশুনা করিনি। তবে কিছু হ্যাকার ভাইয়ের সাথে মাঝে মাঝে অনলাইনে উঠা-বসা। তাদের কাছ থেকে আমি আমার মনের কিছু আকাঙ্ক্ষিত কথা তাদের কাছ থেকে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি।
সেই জানা-অজানার ভিড়ে আজ আমি হ্যাকিং নিয়ে টিউন করতে বসলাম। যারা খুব বেশি দক্ষ তারা পরামর্শ দিয়ে টিউনকে সাফল্য মণ্ডিত করবেন আশা করি। এই হ্যাকিং শেখার টিউন হয়তো খুব বেশি হলে ২ পর্বে হবে।  :roll:
আজকে থাকছে প্রথম পর্ব যেখানে আমরা টিন (Teen) হ্যাকার অর্থাৎ হ্যাকার (হ্যাকার বললে অভিজ্ঞরা কষ্ট পাবে, না বলে শিক্ষনোবিশ বললে ভালো হবে) হবেন হওয়ার শুরুর কথা। । অর্থাৎ আপনি হ্যাকিং শিখতে চাচ্ছেন কিন্তু আগা মাথা কিছু জানেন না বা কম্পিউটারেই নতুন। তারা কীভাবে শুরু করবেন তাদের কিছু টিপস থাকবে এই প্রথম টিউনে।  😎

হ্যাকার কতো প্রকারঃ

হ্যাকার আসলে মুখে মুখে অনেকে বলেন কিন্তু প্রকৃত হ্যাকার কতো ধরণের তা একটি ইংলিশ ব্লগে একবার পড়ছিলাম। সেখান থেকে আমি নিজে কিছু নিয়ে আসলাম।
(এটাকে প্রকার না বলে এক লেখকের মতে কিছুটা ভাগ করার চেষ্টা ভাবতে পারেন)

হ্যাকার মোটামুটি ৬ ধরণের-

১) রকি হ্যাকার (rookie hacker)

এই ধরণের হ্যাকারকে আসলে হ্যাকার বলা কঠিন। এরা টেকনোলজির প্রতি অধিক আগ্রহ থেকে এই কাজে নতুন। তারা ছোট খাটো অনলাইন কিছু একাউন্ট হ্যাক করতে পারে আরকি। তবে সব সময় সফল ভাবে কোনটাই হ্যাক করতে পারে না। অধিক দুর্বলতা থেকে তারা এই কাজগুলো করতে সক্ষম হয়।

২) বিগেনার (beginner)

বিগেনার হ্যাকাররা মোটামুটি কম্পিউটার নলেজ ভালো, হালকা-পাতলা প্রোগ্রাম সল্ভ করতে পারে। হ্যাকিং এর কাজে এরা সফল হয় বটে তবে ছোট থেকে বড় ধরণের ভুলটাই বেশি করে।

৩) ইন্টারমিডিয়েট হ্যাকার (intermediate hacker)

বিগেনার লেভেল থেকে অনেক উন্নত। বেশির ভাগই মোবাইল, ট্যাবলেট বা পিসি সব ধরণের ডিভাইস নিয়ে তারা গবেষণা করে আর প্রোগ্রাম সল্ভে তারা মোটামুটি ভালোই দক্ষ। নিজেদের পার্সোনাল নেটওয়ার্ক করার চেষ্টা থাকে।

৪) এক্সপার্ট হ্যাকার (expert hacker)

আগের হ্যাকারদের বস বলতে গেলে। সব ধরণের সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার হ্যাকিং এর সাথে তারা জড়িত। তবে এই লেভেলের হ্যাকার যে সব কিছুতে দক্ষ তবে যে সব পথ চেনা তেমন নয়। সেজন্য এক্সপার্ট হ্যাকাররা চেষ্টা অনেক বেশি পড়াশুনা করে এবং নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টার জন্য ডেডিকেশনতো থাকেই।

৫) বিজনেস হ্যাকার (Business hacker)

এই লেভেলের হ্যাকাররা দেশের উপকার করে বা নিজে প্রোগ্রাম সল্ভের মাধ্যমে নিজে ক্যাশ ম্যানেজ করতে সক্ষম থাকে। হ্যাকিং এবং প্রোগ্রামিং এ খুব দক্ষ তারা। তবে অন্যের ক্ষতির খুব বেশি কারণ তারা হয় না।

৬) ইলিগ্যাল হ্যাকার (illegal hacker)

এই হ্যাকার অনেক সময় ক্র্যা-কারস (crackers) নামে পরিচিত। ব্যাংক ডাকাতি বা অন্যান্য অনলাইন অপরাধ চক্রের সাথেও তাদের থাকে ভালো উঠাবসা।
তবে আমরা হ্যাকিং শিখবো ৫ নম্বর পর্যন্ত উঠে আসার জন্য। আমরা দেশের সম্পদ হবো, মানুষকে হেল্প করবো। এই লেভেলে আমাদের অনুপ্রবেশ থাকবে না!! কি বলেন?  😈

আরও একটি স্পেশাল হ্যাকিং টিউন আপনাদের জন্য-

তাহলে হ্যাকিং লাইফ শুরু করতে কীভাবে শুরু করবেন-

১) কম্পিউটারের বেসিক সব কিছু সম্পর্কে ধারণা তৈরি করুন।
২) বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের খুঁটিনাটি জানতে থাকুন। মনে রাখবেন হ্যাকিং একটি আর্ট, সেহেতু এই আর্ট আয়ত্ত করতে আপনাকে বেশ পরিশ্রম করতে হবে বৈকি।
৩) তবে একটা পর্যায়ে আপনাকে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে যেকোনো একটি পার্টকেই বেঁছে নিতে হবে। তাহলে আপনার দক্ষতা বাড়বে একটি বিষয়ে।
৪) কম্পিউটারের সকল পার্ট, ফাংশন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। যতো পারুন গভীরে।
৫) কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা অপারেট নিয়ে যা পাবেন পড়তে থাকুন এবং আগের বিষয়গুলো যতো পারেন রিপিট করুন। তাহলে আপনার বেসিক অনেক ভালো হবে।
৬) কীভাবে একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার কমান্ডের মাধ্যমে কাজ করে জানতে চেষ্টা করুন। মনের ভেতর শুধু প্রশ্ন তৈরি করবেন। সাথে সাথে তা বের করার সকল পদ্ধতি।
৭) এবার আসুন আসল জায়গায়। অর্থাৎ প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করুন। একজন রিয়েল হ্যাকার একজন ভালো মানের প্রোগ্রামার। সেহেতু C, C++, Java অথবা BASIC এ ধরণের ভালো মানের কোন প্রোগ্রামিং শিখতে থাকুন। (86 প্লাটফর্মে) সাথে পার্ল (Perl) এর মতো কোন স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজও শিখতে থাকুন। ব্যাচ (Batch) এ স্ক্রিপ্টিং শেখা আরও উপকারী। কারণ এটি উইন্ডোজে খুব কাজে দিবে।  :roll:
হ্যাকিং সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই কম। সেহেতু কারো কোন পরামর্শ থাকলে আমাকে টিউমেন্টে জানাতে পারেন। আর সব সময় মনে রাখবেন হ্যাকিং একটি আর্ট। সেহেতু আপনাকে জানতে হবে অনেক বেশি এবং নতুন সব শেখার প্রতি থাকতে হবে প্রবল আগ্রহ।
(শুধু মাত্র নতুনদের জন্য)
আপনাদের প্রোগ্রামিং লাইফ আরও সুন্দর হোক এই কামনায় আজ এখানেই শেষ করছি।
Thanks for Everyone

সারা জীবনের জন্য Crack, ফেক ছেড়ে ফ্রিওয়্যার ডাউনলোডার ব্যবহার করতে চান? এখন থেকে খুব সহজে গান, মুভি, বই ডাউনলোড করুন ইচ্ছা মতো। আর ফেক ছেড়ে প্রিমিয়াম সফটওয়্যারের স্বাদ নিন ফ্রিতেই!!

ওয়েব প্রযুক্তি জগতে ডাউনলোড আমাদের নিত্য ঘটনা। ইউটিউব বা অন্য সকল ওয়েব সাইট থেকে প্রয়োজনীয় সকল গান, মুভি বা বই ডাউনলোড করতে হয় প্রতিনিয়ত। আমরা বেশির ভাগই IDM দিয়ে এই কাজ সারি। কিন্তু আমরা বাঙ্গালী কি আর ২৫ ডলার দিয়ে IDM কিনে ব্যবহার করবো। এটা আমাদের সার্ধের বাইরে। সব সফটওয়্যার যদি কিনে ব্যবহার করতে হয় তাহলে হয়তো আমাদের কম্পিউটার চালাতে মিনিমাম ১ লাখ টাকা বাজেট রাখতে হয়। যেটা আদৌ আমাদের মতো দেশের মানুষের দ্বারা সম্ভব না।  :roll:
যে কারনে আমরা Crack বা সিরিয়াল কী দিয়ে প্রিমিয়াম সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা যদি একটু চোখ-কান খোলা রাখি তাহলে খুব সহজে বেশির ভাগ কম্পিউটারের কাজ ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার দিয়ে করতে পারি। কিন্তু আমাদের একটু ঘেঁটে দেখতে হবে আরকি। আমি মাঝে মাঝে নিজে ফ্রিওয়্যারের খোঁজ পাইলে আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি।
ঠিক এরকমই একটি সফটওয়্যার এটি। যেটা IDM থেকে কোন অংশে কম নয়। উপরি আপনি সেটা ফ্রিতে সারা জীবন কোন ঝামেলা ছাড়ায় ব্যবহার করতে পারবেন। এতোই যদি সব কিছু এই সফটওয়্যার দিয়ে ডাউনলোড করা যায় তাহলে IDM Crack ব্যবহার কেন? IDM বাদ দিয়ে আসুন সবাই ফ্রিওয়্যার ডাউনলোডার ব্যবহার করি সাথে সারা জীবনের জন্য গান, মুভি, বই ডাউনলোড করি ইচ্ছা মতো। আর ফেক ছেড়ে প্রিমিয়াম সফটওয়্যারের স্বাদ নেই!!
আসুন তাহলে ধীরে ধীরে জানি কীভাবে কি?  😆

সারা জীবনের জন্য ফ্রি ডাউনলোডার ঈগলগেট (EagleGet)

IDM ছাড়া ডাউনলোড করা যে ঝামেলা না এটা প্রমাণ করাই আমার এই লেখার উদ্দেশ্য। আসুন কি সুযোগ থাকছে এই স্পেশাল ফ্রি সফটওয়্যার ঈগলগেটে।

ঈগলগেটের (EagleGet) সুবিধাঃ

  • ঈগলগেটের মাধ্যমে আপনি IDM এর মতো সব কিছু এক ক্লিকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
  • কোন সিরিয়াল কী প্রয়োজন নেই।
  • সকল ব্রাউজার সাপোর্ট করে।
  • ভাইসার চেক করে ডাউনলোড করবে।
  • দ্রুত গতির নিশ্চয়তা দেয়।
  • এক্সপায়ার ওয়েব এড্রেস অটোমেটিক রিফ্রেশ।
  • আর ফ্রি তো আছেই।
আশা করি IDM এর চেয়ে কোন বিষয় কম পাবেন না। আপনার কি মনে হচ্ছে?  😉

কীভাবে ইন্সটল করবেন (EagleGet)


১) প্রথমে  ঈগলগেট ওয়েব সাইট থেকে সরাসরি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র ৬ মেগাবাইটের কাছাকাছি।
২) তারপর ডাবল ক্লিক করে অন্যান্য সফটওয়্যারের মতো ইন্সটল করুন। ১ মিনিটও লাগবে না ইন্সটল হতে।
৩) শুধু মনে রাখবেন কোন ব্রাউজার যেন ওপেন না থাকে ইন্সটল করার সময়।
৪) তারপর আপনি জনপ্রিয় যে কোন ব্রাউজার ওপেন করলে অটোমেটিক ব্রাউজার এক্সটেনশন বা অ্যাড অন্স নিয়ে নিবে।
৫) অটোমেটিক অ্যাড-অন্স ডাউনলোড না হলে নিচের স্ক্রিন শট অনুসারে ঈগলগেট ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করুন।
৬) কীভাবে ডাউনলোড হবে নিচের স্ক্রিন শট দেখুন।
৭) ডাউনলোড হচ্ছে ঈগলগেটের মাধ্যমে।


আশা করি বুঝতে সমস্যা হবে না। আর ডাউনলোড এটা আপনার হাতের মোয়া হবে এখন। কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাতে ভুলবেন না। IDM প্রেমীদের মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে সেটা টিউমেন্টে উঠাতে পারেন।  😯
(কিছু দিন আগে ফেসবুকে একটি তর্ক দেখছিলাম, সেখানে বার বার বলা হচ্ছিলো বাংলাদেশের সেরা  প্রযুক্তি ব্লগ টেকটিউনস নাকি সব পাইরেটেড সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করে, ফ্রিওয়্যার নিয়ে কাজ করে না, তাই এখন থেকে ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার রিভিউও থাকবে মাঝে মাঝে আমার পক্ষ থেকে!)



Thanks for Everyone

জন আব্রাহামের সদ্য মুক্তি পাওয়া মুভি “রকি হ্যান্ডসাম” কোন ঝামেলা ছাড়া ডাউনলোড করুন

     
চলচ্চিত্র – রকি হ্যান্ডসাম (২০১৬)
ধরন – অ্যাকশন/ রোমান্স
রচনা – রিতেশ শাহ্‌
পরিচালনা – নিশিকান্ত কামাত
প্রযোজনা – সুনির খ্রত্রাপাল এবং জন আবরাহাম
অভিনয়ে – জন আবরাহাম, শ্রুতি হাসান, নঠালিয়া কর প্রমুখ
সঙ্গীত পরিচালনায় – টি সিরিজ
মুক্তি পেয়েছে – ২৫ মার্চ ২০১৬
ফাইল সাইজ – ৬৯৭ মেগা বাইট

রকি হ্যান্ডসাম মুভি নিয়ে কিছু কথা
‘একজন অ্যাকশন হিরোর সুর্দশন দেহ, তার উন্মুক্ত ঘুষি এবং নিজেকে সেরা ভাবা কোন হিরোর কাজ নয়।’ এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় হিরো জন আব্রাহাম। তিনি আরও বলেন ‘একটা ছবিতে একজন হিরো বা হিরোইনকে স্পষ্টভাবে মারদাঙ্গা চরিত্রে এইজন্য দেখা যায় কারন তারা তাদের বীরত্ব প্রকাশ করেন সাধারন মানুষদের উদ্ধত্ব কারা জন্য’। তাদের হাড়ভাঙ্গা, মুষ্ঠিঘাত, সিক্সপ্যাক অ্যাবস ভারী ওজন এবং লড়াই করার জন্য নিজেকে শক্ত সামর্থ ভাবে গড়ে একজন মানুষকে মানুষিক প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমি খুব নিশ্চিতভাবে বলছি পরিচালক নিশিকান্ত ঠিক যেভাবে আমাকে প্রশিক্ষিত করতে চেয়েছেন ঠিক সেভাবে আমি তাকে আমার পুরোটা দেবার চেষ্টা করেছি। পরিচালক আমাকে থইল্যান্ড থেকে প্রশিক্ষণ নেবার জন্যে বলেছেন আমি তাই করেছি।তখন আমাকে নতুন একটা নতুন ‘আইকিডো’ এবং ‘হ্যাপকিডো’ শিল্প ‘ফর্ম’ শিখতে হয়েছিলো।
সিনেমাটির  রেহনুমা গান বলিউডের টপ চার্টে স্থান করে নিয়েছেন। এই গানটিতে শ্রুতি এবং জনকে অনেক ঘনিষ্ঠতায় দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত  অনেক দর্শক দেখেছেন এবং প্রশংসা করেছেন।
Thanks for Everyone

ছাত্র জীবনে মরিয়া হয়ে টাকা আয় করার পেছনে কেন ছুটতে হবে

ছাত্র জীবনে মরিয়া হয়ে টাকা আয় করার জন্য কেন ছুটতে হবে আমার বোধগম্য নয়। ইউনিভার্সিটিতে থাকা অবস্থায়ও অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ১/২ টার বেশি টিউশনি করতাম না। হালাল উপায় পরিশ্রম না করে আমি টাকা আয় করতে কোন ভাবেই রাজি নই। প্রোগ্রামিং স্কিল নাই এই রকম অনেকেই আমার কাছে অনলাইনে কাজের ব্যাপারে সাহায্যের জন্য বলেন, যখনই কাউকে কোন কিছু শিখার জন্য বলি আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কারণ সবার ধারণা অনলাইনে কাজ করতে আবার পরিশ্রম করা লাগে নাকি ?

একঃ এক দল তরুনদের দেখা যাচ্ছে ডেস্টিনি টাইপের MLM কম্পানীর পেছনে ছুটছে যা তাদের সময় নষ্ট করতে, বাস্তব জীবনে লেখাপড়ার মাধ্যমে শেখা জ্ঞান ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছে, স্কিল ডেভেলপ করার সময়টুকু সহজে টাকা ইনকাম করার জন্য নষ্ট করছে যা দীর্ঘ মেয়াদী হিসাবে চরম ক্ষতি করছে।
দুইঃ অনলাইনে নাকি ডলার ওড়ে, কিন্তু এর জন্যও পরিশ্রম করতে হয় সেই সত্যটা অনেকের ক্ষেত্রে পুরাই অজানা। একটা উদাহরণ দেই, সেদিন একজন বাবার সাথে কথা হচ্ছে। তার ছেলে অনলাইনে কাজ করে, সে ওয়েব ডেভেলপার, আমি জানি সে ভালো জানে এবং করে। তার বাবা তাকে কিছুতেই এই পেশাতে রাখতে চান কারণ অনেকেই নাকি আগে এই কাজ করতো আর এখন কাজ করে না বা পায় না। কিন্তু ঐ বাবা নিজেও জানেন না তার ছেলে আসলে কি কাজ করেন আর যাদের কথা বলছেন তারা কি কাজ করে। মানে উনার দৃষ্টিতে সবাই একই কাজ করে !
তিনঃ লিংক ক্লিক করে টাকা আয় করতে কোন পরিশ্রম বা মেধার প্রয়োজন হয় না। এটাতে যাবেনা না। এটা আপনার চিন্তাকে পঙ্গু করে দেবে। বরং এই সময়ে ফুল পেট না খেয়ে হাফ পেট খেয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপ করেন, আপনি সারা দিন লিঙ্কে ক্লিক করে যে টাকা আয় করছেন তা এক ঘন্টা কাজ করেই ভবিষ্যতে আয় করতে পারবেন। লিংক ক্লিক করে টাকা আয় করা কি হারাম ? নিশ্চিৎ ভাবে হারাম নয় এবং আপনি প্রতিটি লিংক ক্লিকের মাধ্যমে অন্যায় করছেন এবং অন্যায় ভাবে টাকা আয় করছেন।
চারঃ ইদানিং শুনি নাকি অনলাইনে ডলার কিনতে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে ! মানে আগে কিছু ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে তারপর খেলা শুরু করে ! আপনি নিশ্চিৎ ভাবে এসব কিছুর সাথে জড়িত হয়ে নিজের সময় এবং অর্থ নষ্ট করছেন আর এর সাথে আপনার বন্ধুদের যুক্ত করে সামাজিক অবক্ষয় ডেকে আনছেন।
পাঁচঃ ফ্রি ল্যান্স মানে শুধু ঘরে বসে অনলাইনে টাকা আয় করা নয়, অনলাইন একটা মাধ্যম মাত্র।
ছয়ঃ কেউ বলতে পারেন তাহলে কি করবো ?যারা প্রোগ্রামিং জানেন না তাদের জন্য অনলাইনে ডাটা এন্ট্রি, লিঙ্ক বিল্ডিং, SEO, SEM, ফটোশপ ও ইলাস্ট্রেটর দিয়ে ডিজাইন ইত্যাদি সহজ পথ গুলো খোলা আছে। এই কাজ গুলো করার জন্য প্রথমে আপনাকে শেখার জন্য সময় দিতে হবে, নিজের সামান্য মেধা অন্তত এগুলোর পেছনে ব্যয় করতে হবে। একাজ গুলো আপনি একটু সময় নিয়ে শিখে নিতে পারলে লিঙ্ক ক্লিক করা বা MLM এর পেছনে দৌড়াতে হবে না।
সাতঃ টাকার পেছনে অন্ধের মত দৌড়ানোর দরকার নাই। কাজ শিখেন টাকা এবং চাকরি আপনার পেছনে দৌড়াবে। স্বাভাবিক ভাবে যদি দেখেন আপনি টাকা আয় করছেন কিছু কিন্তু কোন প্রকার কায়িক এবং মানসিক পরিশ্রম করছেন না নিশ্চিৎ ভাবে ধরে নিতে পারেন আপনি সঠিক পথে নাই। উল্লেখ্য যে, নতুন কাউকে মগজ ধুলায় করে MLM চক্রে ঢুকানোকে আমি কোন ভাবেই কায়িক এবং মানসিক শ্রম হিসাবে মেনে নেই না।

কিভাবে  আমার পেছনে টাকা ছুটছে দেখুন
Thanks for Everyone

যে দশ মন্ত্র জানা না থাকলে সারা জীবনে ও সফল হতে পারবেন না

কোনো পেশায় সাফল্য এমনি এমনি ধরা দেয় না। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে পরিশ্রম করে যেতে হয়। তবে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা ছাড়া বেশি দূর যাওয়াটা কঠিন। সাফল্য অর্জনের জন্য অনুসরণ করতে পারেন এমন ১০টি পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:
অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অগ্রসর হন: নিজেকে আজীবন ছাত্র ভাবতে হবে। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকে যা কিছু শিখবেন, তার সবই কোনো না কোনোভাবে আপনার সাফল্যের নেপথ্যে রসদ জোগাবে। অর্জিত অভিজ্ঞতাগুলো চারপাশের পৃথিবী সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করবে। পাশাপাশি অন্যদের কাছে আপনাকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে তুলবে। তাই নিজের পেশা জীবনকে মনে করতে হবে ধারাবাহিক অভিজ্ঞতার সমষ্টি।
অপছন্দের চাকরি করবেন না: পড়াশোনা শেষ করেই অনেকে যেনতেন একটা চাকরিতে ঢুকে পড়েন। ‘পছন্দের চাকরিটা পরেও খুঁজতে পারব, আপাতত একটা কিছু শুরু করি’ এমন ভাবনার ফলে সাময়িক কিছু রোজগার হলেও পরে অনেক মাশুল গুনতে হয়। কারণ, যে কাজের প্রতি আপনার আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে, সেই পেশায় আপনি সর্বোচ্চ সাফল্য আশা করতে পারেন না। আর কেবল টাকা আয়ের জন্য কাজ করে, এমন কর্মীরা সৃষ্টিশীল কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে কাঙ্ক্ষিত নয়। তাই সাময়িক প্রয়োজনে হলেও অপছন্দের চাকরিতে না যাওয়াই ভালো।
দ্রুত নিজেকে প্রমাণ করুন: কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর যত দ্রুত নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারবেন, আপনার সার্বিক পেশাজীবন তত গতিময় ও সমৃদ্ধ হবে। ধীরে-সুস্থে এগোনো যাবে, এমন ভাবলে ভুল করবেন। বরং প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজের গুরুত্ব শিগগির তুলে ধরুন। এতে আপনার বেতনের অঙ্ক ও পদমর্যাদার উন্নতি হবে এবং আরও বড় পরিসরের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হবে। তাই আর দেরি নয়, এখনই শুরু করে দিন।
ঝুঁকি নিয়ে কাজ করুন: ঝুঁকি নেওয়াটা সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ না-ও হতে পারে। অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে গতকাল যা করেছি, আজ ও আগামীকাল যদি সেই একই কাজ করে যেতে থাকি, আমরা এগোতে পারব না। ঝুঁকি নেওয়ার মাধ্যমে আপনি নিজেকে একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন, যেখানে সাফল্য ও ব্যর্থতা-দুটোই থাকতে পারে। উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের ঝুঁকিই হতে পারে আপনার বড় সাফল্যের সিঁড়ি।
মানুষের সান্নিধ্যে আরও বেশি সময়: ল্যাপটপে মুখ গুঁজে থাকেন যতক্ষণ, তার চেয়ে বেশি সময় কাটান অন্যদের সঙ্গে কথাবার্তা ও আলাপচারিতায়। সবকিছু অনলাইনে হয় না। স্মার্টফোন ও ট্যাবের মতো যন্ত্রগুলো আপনাকে বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে ঠিকই, কিন্তু মুখোমুখি আলোচনার সময়-সুযোগ কেড়ে নেয়। মনে রাখতে হবে, চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে খুঁজছে, প্রযুক্তিকে নয়। এ যুগে প্রযুক্তিতে দক্ষ লোকজনের চেয়ে মুখোমুখি যোগাযোগে দক্ষ মানুষের চাহিদা মোটেও কম নয়।
নিজের কাজের মূল্যায়ন করুন: চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে নিয়োগ দেওয়ার আগে ভেবে দেখবে, আপনার কাছ থেকে কী কী পাওয়া যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসানির্ভর। আপনি তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সার্বিক আয় কতটা বাড়াতে পারবেন এবং ব্যয় কতটা কমাতে পারবেন-সেগুলো খতিয়ে দেখার জন্য আপনার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করা হবে। কাজেই নিজেই নিজেকে সেভাবে যাচাই করে দেখুন, আসলেই আপনি পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য কি না।
আগামীর প্রয়োজনে আত্মত্যাগ: ভবিষ্যতে নিজেকে ভালো অবস্থানে দেখতে চাইলে আপনাকে এখন কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কাজটা পছন্দের হলে তাতে বেশি সময় দিতে ক্ষতি কী। পেশা জীবনের শুরুতে যত পরিশ্রম করবেন, পরবর্তী জীবনে তার সুফল তত বেশি পাবেন। আর তখন সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানোর পর ধন্যবাদটা আপনি নিজেকেই দিতে পারবেন, অন্য কাউকে নয়।
ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করুন: নিজের যাবতীয় অর্জন ও অভিজ্ঞতার তথ্য এক জায়গায় রাখতে হবে। নিজের পূর্ণ নামের শেষে ডট কম যুক্ত করে ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। এতে করে আপনি নিজের কাজকর্ম সম্পর্কে খুব সহজে অন্যদের জানাতে পারবেন। এভাবে নতুন নতুন কাজ ও উদ্যোগের সুযোগ অবারিত হয়। নিজের অর্জন ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওয়েবসাইটটি হালনাগাদ করতে হবে। ফেসবুক, লিংকডইনসহ সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমগুলোতেও নিজের প্রোফাইল হালনাগাদ রাখা উচিত।
বেশি বেশি ঘুরে বেড়ান: অন্যদের সংস্কৃতি, ভাষা ও কাজের ধরন সম্পর্কে জানতে হলে বেশি বেশি ঘোরার বিকল্প নেই। এখন আমরা একটি বৈশ্বিক বাজারব্যবস্থার মধ্যে কাজ করি। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সেরা কর্মীটিকে খুঁজে বের করে নিয়োগ দিতে চায়। সে যোগ্য হলে অঞ্চল নির্বিশেষে মূল্যায়ন পাবে। যত বেশি ভ্রমণ করবেন, বিশ্ব সম্পর্কে তত বেশি বাস্তব অভিজ্ঞতার অধিকারী হবেন। একাধিক বিদেশি ভাষা জানলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আপনার চাহিদা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।
সঠিক নেতা বাছাই করুন: পেশা জীবনে একজন যোগ্য ও দক্ষ ঊর্ধ্বতন ব্যক্তির অধীনে কাজ করা ভালো। সঠিক ব্যক্তিটিকে বাছাই করুন, যিনি আপনাকে সমর্থন, উৎসাহ ও সময় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। তাঁকে অবশ্যই আপনার পেশাসংশ্লিষ্ট হতে হবে। আপনি তাঁর অবস্থানে পৌঁছানোর স্বপ্ন দেখবেন এবং তাঁর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা আপনার কাজে লাগবে। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনাগুলো তাঁর সঙ্গে বিনিময় করতে হবে। তবে সব ক্ষেত্রে যে আপনাদের মতের মিল হবে, তা নয়।

Thanks for Everyone

26 March 2016

Unboxing Some New Cubes + Updates | Thecubicle us/technology360



Thanks for Everyone

23 March 2016

bangla fun/techology360



Thanks for Everyone

22 March 2016

fun



Thanks for Everyone

20 March 2016

Brush tool details



Thanks for Everyone

Technology360/ layer cocept patee



Thanks for Everyone

photoshop cs3



Thanks for Everyone

যেকোনো লেখা রূপান্তরিত করুন অডিওতে….?

আজ আপনাদের সামনে একটি ভিন্নধর্মী পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজ কাল বিভিন্ন দরকারে আমাদের বিভিন্ন লিখা লিখতে ও পড়তে হয়। যদি আপনার লিখা গুলো নিজে নিজে পড়ে আপনাকে শুনায় তবে কেমন লাগবে? আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে যেকোনো লিখাকে অডিও হিসেবে শুনা ও অডিও ফাইলে রূপান্তর করা যায়।

যেভাবে করতে হবে

এই কাজটি করতে প্রথমেই আপনার কাছে থাকতে হবে Balabolka নামক সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে   এখানে    ক্লিক করুন। ডাউনলোড করা হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে রান করুন।

এবার যেকোনো লিখা লিখুন, লিখা শেষ হয়ে গেলে তা সিলেক্ট করে প্লে বাটনে ক্লিক করুন তাহলেই আপনার লিখাটির অডিও বলা চালু হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লিখাটির অডিও ফাইলও সেভ করে রাখতে পারেন, তাঁর জন্য আপনাকে ফাইল মেনুতে গিয়ে সেভ অডিও ফাইল বাটনে ক্লিক করতে হবে।

Thanks for Everyone

19 March 2016

এবার যে কোন মানুষ এর সাথে কথা বলুন মেয়ে ছেলে দাদা দাদী সহ সকল প্রকার কণ্ঠে….!

প্রিয় বন্ধুরা,  আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব সময় ভালো থাকেন এই কামনা রইলো।
প্রথমেই বলে রাখি এই ধরনের টিউন যদি এর আগে কেও করে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব এমন একটা সফটওয়্যার যা আপনাদের কজে লাগবে ১০০% সঙ্গে অনেক মজা ও পাবেন।
main-1
অনেকেই আছেন যারা ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলতে চান,আমার মতো কিন্তু কনো ভালো সফটওয়্যার খুজে পাচ্ছেন না বা জানেনা না।
আমি ত আছি আপনাদের সাথে আসলে অনেক কাজে ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলা দরকার হতে পারে, এর মধ্যা সয়তানি করে কথা বলা টা বেশি। তো যারা এমন টা খুজছেন তাদের জন্য আজকে আমি এই সফটওয়্যার টি নিয়ে এসেছি।
এবার দেখুন এর কিছু সুবিধা সমূহঃ
এর মাধ্যমে মে, ছেলে,দাদা দাদী সহ সকল প্রকার কণ্ঠ change করতে পাবেন। কথা গুলো একেবারে স্পষ্ট যেনো সকলে বুঝতে পারে
ইয়াহ, স্কাইপি, MSN সহ সকল প্রকার মেসেঞ্জার সাপোর্ট করে।
সহজ ব্যবহার যোগ্য ও সহজ ভাবে ব্যবহার করা যাবে। উইন্ডোজ ৩২ ও ৬৪ বিট ২ টাতেই সাপোর্ট করে
সেই রকম একটা সফটওয়্যার যা দিয়ে মজা করতে পারবেন আপনি।
AV Voice Changer.Apk টি আপনার পছন্দ হলে নিচ থেকে Download করে নিন।
এন্ড্রয়েড মোবাইল ভার্সনঃ  ডাউনলোড
পিসি ভার্সনঃ   ডাউনলোড
সবাইকে ধন্যবাদ। সুস্থ্য থাকুন,ভালো থাকুন এবং সব সময় টেকটিউনস এর সাথেই থাকুন।

আপনার কম্পিউটার থেকে রিমুভ করে ফেলুন সব ফাঁকা ফোল্ডার এবং ডুপলিকেট ফাইল..?

আপনার কম্পিউটারের একটি চরম বিরক্তির কারণ অনেক অনেক ফাঁকা ফোল্ডার পড়ে থাকা এবং ডুপলিকেট ফাইল এর সমাহার। আপনার অজান্তেই এক সময় আপনার পিসি ভর্তি হয়ে যায় অনেক ফাঁকা ফোল্ডারে এবং এক ফাইলের একাধিক ডুপলিকেটে।

কিন্তু সেগুলোর পরিমাণ যখন বেশি হয়ে যায় তখন আপনি কোন সফটওয়্যার এর সাহায্য ছাড়া কোন কুল কিনারা করতে পারবেন না। আজ শেয়ার করছি একটি প্রিমিয়াম সফটওয়্যার এর ৩০ দিনের ট্র্যায়াল ভার্সন। শুধু সফটওয়্যার নয়। শেয়ার করছি কিভাবে আপনার পিসি থেকে এই সফটওয়্যার দ্বারা সব অযথা ফাঁকা ফোল্ডার এবং ডুপলিকেট ফাইলগুলো ডিলেট করবেন।

প্রথমেই ডাউনলোড করে নিন  Glary Utilities Pro 5.7 ...ডাউনলোড হয়ে গেলে ঝটপট ইন্সটল দিয়ে নিন। এখন চলুন চলে যাই মূল টিউটোরিয়ালে।

ফাঁকা ফোল্ডার ডিলেট করার পদ্ধতিঃ

  • সফটওয়্যারটি চালু করুন।
  • এবার Advanced Tools অপশনে গিয়ে Remove Empty Folders অপশন ক্লিক করুন।
  • এখন একটি বক্স আসবে। সেখানে আপনাকে ড্রাইভ গুলো সিলেক্ট করে দিতে হবে কোন ড্রাইভ গুলোতে সে ফাঁকা ফোল্ডার খুজবে। তাই যে যে ড্রাইভে ফাঁকা ফোল্ডার খুঁজতে চান সেগুলো সিলেক্ট করে Scan Now বাটন ক্লিক করুন।
  • চলে আসবে ফাঁকা ফোল্ডার লিস্ট। সেখানে সবগুলো সিলেক্ট করে Delete Checked Folders বাটন ক্লিক করুন।
  • ব্যাস, ডিলেট হয়ে যাবে আপনার সিলেক্ট করা ফাঁকা ফোল্ডার গুলো এক নিমিষেই।
  • আপনার কম্পিউটার থেকে রিমুভ করে ফেলুন সব ফাঁকা ফোল্ডার এবং ডুপলিকেট ফাইল

ডুপলিকেট ফাইল ডিলেট করার পদ্ধতিঃ

  • পূর্বের নিয়মে সফটওয়্যার থেকে Advanced Tools > Remove Duplicates অপশনে যান।
  • আবারো পূর্বের মত একটি বক্স আসবে সেখানে ড্রাইভ সিলেক্ট করে দিন এবং Scan করুন।
  • চলে আসবে রেজাল্ট। যে ফাইলগুলোর ডুপ্লিকেট কপি আপনার কম্পিউটারে ছিল সেগুলো পাবেন রেজাল্টে সাথে কিন্তু মূল ফাইলটিও থাকবে। তাই একটি কপি বাদে বাকি যে কয়টা কপি বের হয়েছে তা সিলেক্ট করে Delete Checked Files ক্লিক করে ডিলেট করে দিন।

এবার উদ্বার করুন ডিলেট হয়ে যাওয়া সকল ফাইল কম্পিউটারের রিসাইকেল বিন এর মত !!!

আপনারা সবাই কেমন আছেন,
আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন
সব সময় ভালো থাকেন
 Technology360 এর পক্ষ
থেকে এই কামনা রইলো।
Capture

প্রথমে নিচ থেকে Apk টি নামিয়ে নিন।
এবার উদ্বার করুন ডিলেট হয়ে যাওয়া সকল ফাইল
কম্পিউটারের রিসাইকেল বিন এর মত !!!
আমরা অনেক সময় ভুল করে কোন ফাইল delete
করে দেই, বা অন্য
কেউ না জেনে কোন ফাইল delete করে দিল ,
কিন্তু delete করার পর মনে হয় delete করা ভুল
হইছে। তাই এই সমস্যা সমাধানে আজ আপনাদের
জন্য নিয়ে আসলাম পিসির মত এমন ১টি Apps যা
দিয়ে আপনি delete করা File উদ্ধার করতে
পারবেন।
আপনার ডিলেট করা গান/ছবি/ভিডি
দেখতে পাবেন।এবার যেটি ডিলেট করেছেন
সেটি সিলেক্ট করে Restore বাটনে ক্লিক করুন
তাহলে ফাইলটি যে জায়গা থেকে ডিলেট করা
হয়েছে সেখানে চলে যাবে।
এপ্লিকেশন টির সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি
প্রয়োজনে এই এপ্লিকেশন টি লক করে
রাখতে পারবেন।
Thank You…

আপনার ফোনে কত অডিও গান আছে? ১০০০/২০০০/৩০০০ বা তার্ ও বেশি, এক ক্লিকেই সব গানে আপনার নাম+ফটো বসিয়ে দিন

আসসালামু আলাইকুম
মুসলমান হিসেবে আমাদের সকলের ই উচিত সালাম দেওয়া এবং নেওয়া।
টিউনের শুরুতে একটু কুশল বিনিময় করি, কেমন আছেন? আমি ভাল আছি আল্লাহ্‌র মেহেরবাণীতে।
টিউন করার জন্য আসলে মন মানসিকতা থাকা দরকার। অন্যকে হেল্প করার আগ্রহ থাকা দরকার।
আমার মনে হয় আমার দুটোই আছে। তাই যেকোন সময় যেকোন প্রয়োজনে আমাকে নক করতে পারেন, আমি আছি আপনাদের সেবায়।

এবার আমার টিউনের বিস্তারিত আলোচনা করছি,
টিউনের শিরোনাম শুনে আগেই আন্দাজ করতে পেরেছেন আজ আমি কি শেয়ার করতে যাচ্ছি।

এই এপ্স টি দিয়ে আপনার ফোনের সকল গানে আপনার ফটো বসিয়ে দিতে পারেন। অন্যের ফটো গানে থাকলে খারাপ লাগে। কেন আপনার/আমার ফোনে অন্যের ফটো ভাসবে? তাই কি হয়? তাই এক এক টা করে গান এডিট করার দিন শেষ। নিয়ে এলাম। মাল্টি ট্যাগার।
Name of Apps: Audio Tagger 
Size Of Apps: 2.2mb
Link of Download: Download

(ডাউনলোড করতে যদি কোন সমস্যা ফেস করেন, তাহলে   এই ভিডিও টি দেখুন...

কষ্ট করে টিউন লিখি, শুধু আপনাদের কিছু টা উপকার করার জন্য। আমার টিউন পড়ে আপনার বিন্দুমাত্র ভাল লাগে/উপকার হয়, তবেই আমার কষ্ট সার্থক।


Thanks for Everyone

18 March 2016

The.Chinese.Are.Coming.==.Africa.HD===中方在非洲 西方觀點==字幕==Subtitles



Thanks for Everyone