29 April 2016
31 March 2016
30 March 2016

কি ভুল করে কিছু সফটওয়্যার ইন্সটল করেছেন, আনইন্সটল করতে পারছেন না দেখেন নি এই সফটওয়্যার টি দেবে সকল সমাধান
প্রথমেই সালাম নিন, কেমন আছেন সকলে আশা করি ভাল ও সুস্ত। আজকের এই পর্বে থাকছে আপনাদের জন্য ১ টি আপডেট প্রিমিয়াম সফটওয়্যার। ত দেরি কেন আসুন জেনে নেই সফটওয়্যার গুল সম্পর্কে।
আজ আবারো আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম আমার দেখা অন্যতম সবচেয়ে ভাল Uninstaller সফটওয়্যার যা আপনাকে দেবে সকল সফটওয়্যার কে আনইন্সটল করার সুবিধা। অনেক সময় আমারা নানান প্রকার সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকি যা পরে উইন্ডোজ এর ডিফল্ট অপশন এও নাই তো সেই সময় এই সফটওয়্যার টি আপনাদের কাজে লাগবে অনেক ভাল ভাবে। তো দেখুনঃ
Revo Uninstaller Pro 3.1.2 Crack:

এই সফটওয়্যার দিয়ে শুধু Uninstall ছাড়াও আপনার পিছি কে ফাস্ট রাখার জন্য আরও অনেক টুল আছে। যেগুলো খুবই কাজের এই সফটওয়্যার টি এর কিছু সুবিধা সমুহঃ
- সহজেই দেখতে পারবেন আপনার পিছি তে ইন্সটল করা সফটওয়্যার গুল।
- অনেক সহজেই আনইন্সটল করতে পারবেন।
- ডিফল্ট আনইন্সটল এ না থাকলেও এখানে পাবেন সেই সফটওয়্যার টি।
- ব্যাবহার অনেক সহজ ও বন্ধু সুলভ।
- পিছি ক্লিন করার সুবিধা রয়েছে।
- অনেক ফাস্ট একটি সফটওয়্যার।
তো দেরি কেন ডাউনলোড করে নিন।
বিদ্রঃ এর আগে অনেক ডাউনলোড সার্ভার ব্যাবহার করতাম কিন্তু অনেকেই সেগুল থেকে ডাউনলোড করতে পারে না, সবাই মিডিয়া ফায়ার চায়, কিন্তু এটাতেও সমস্যা কিছু দিন পরেই ডিলিট করে দেবে। তাই এবার মিডিয়া ফায়ার এই দিলাম।
Thanks for Everyoneআপনার এন্ড্রয়েড ফোনকে ব্যবহার করুন ওয়াকিটকি হিসেবে
দুইটা এন্ড্রয়েড ডিভাইস একই ওয়াইফাই জোনে কানেক্ট থাকলে ওয়াইফাই ওয়াকিটকি অ্যাপটা দিয়ে আন্ড্রয়েড ফোন দুটি ওয়াকিটকি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। সুন্দর এবং সহজ ইউজার ইন্টারফেস। অ্যাপটি ওপেন করলে নিচের দিকে একটি বাটন দেখা যাবে। Press to Talk নামে। Press to Talk বাটনে প্রেস করে ধরে রেখে কথা বললে অন্য ফোন থেকে শোনা যাবে। যত ইচ্ছে তত। ফ্রি 
অফিসের এক ডেস্ক থেকে অন্য ডেস্কে বা একটা রুম থেকে অন্য রুমে ওয়াকিটকির মত কথা বলা যাবে। বাচ্চারাদের সাথেও মজা করা যাবে অ্যাপটি দিয়ে। বাচ্চারা তো ওয়াকি টকি টাইপ খেলনা গুলো দিয়ে খেলতে পছন্দ করে। এখন খেলনা না কিনে দিয়ে ফোনে এন্ড্রয়েড অ্যাপটি ইন্সটল করে দিলেই কাজ হবে। তারা খেলতে পারবে।
অ্যাপটির বড় সুবিধে হচ্ছে ওয়াইফাই না থাকলে এন্ড্রয়েড হটস্পট দিয়ে ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করেও ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ফ্রিতে ডাউনলোড করা যাবে।
বিদ্রঃ একই অ্যাপ দুইটা ফোনেই ওপেন থাকতে হবে।
ওয়াইফাইন না থাকলে এন্ড্রয়েড ফোন থেকেই হটস্পট চালু করতে পারেন। তার জন্য নিচের গাইডলাইনটি দেখতে পারেন। এন্ড্রয়েডের সেটিং মেনুর ভেতর connection এর মধ্যে হটস্পট সেটিং পাওয়া যাবে।
> setting
> connection
> tethering and portable hotspot
> portable Wi-Fi hotspot (on/off)
> connection
> tethering and portable hotspot
> portable Wi-Fi hotspot (on/off)
তাহলে হটস্পট চালু হবে। অন্য এন্ড্রয়েড সেটে তৈরি করা ওয়াইফাই হটস্পটে কানেক্ট করুন। এবং অ্যাপটি ব্যবহার করুন।
আমাদের আরো দুইটি অ্যাপ হচ্ছে Photo Resizer Plus, যেটা দিয়ে এন্ড্রয়েডে ছবির সাইজ কমানো যায়। ডাউনলোড লিঙ্ক।
Thanks for Everyone
কীভাবে আপনি হ্যাকিং লাইফ শুরু করবেন?
হ্যালো টেকটিউনস কমিউনিটি, কেমন আছেন সবাই? প্রযুক্তির বেড়াজালে আশা করি ভালোই আছেন। কিন্তু আপনি হয়তো আরও ভালো হয়ে যাবেন আজকের টিউন পড়ে। এই লেখালেখি জীবনে অনেকে অনেক টিউনের জন্য রিকুয়েস্ট করে। কিন্তু আমার জানার সাধ্যে না গেলে "না" বলে দেয়, কিন্তু অনেক সময় অনেকে নাছোড় বান্দা হয়ে যায়। আবার অনেক সময় এমন কোন টিউনের রিকুয়েস্ট করে যা আমি জানি না বা সামান্য যা জানি তা দিয়ে একটা টিউন করা কষ্ট হয়ে যায়।
ঠিক এরকমই একটি টপিকস হ্যাকিং। আমি নিজে এভাবে হ্যাকিং নিয়ে পড়াশুনা করিনি। তবে কিছু হ্যাকার ভাইয়ের সাথে মাঝে মাঝে অনলাইনে উঠা-বসা। তাদের কাছ থেকে আমি আমার মনের কিছু আকাঙ্ক্ষিত কথা তাদের কাছ থেকে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি।
সেই জানা-অজানার ভিড়ে আজ আমি হ্যাকিং নিয়ে টিউন করতে বসলাম। যারা খুব বেশি দক্ষ তারা পরামর্শ দিয়ে টিউনকে সাফল্য মণ্ডিত করবেন আশা করি। এই হ্যাকিং শেখার টিউন হয়তো খুব বেশি হলে ২ পর্বে হবে। 
আজকে থাকছে প্রথম পর্ব যেখানে আমরা টিন (Teen) হ্যাকার অর্থাৎ হ্যাকার (হ্যাকার বললে অভিজ্ঞরা কষ্ট পাবে, না বলে শিক্ষনোবিশ বললে ভালো হবে) হবেন হওয়ার শুরুর কথা। । অর্থাৎ আপনি হ্যাকিং শিখতে চাচ্ছেন কিন্তু আগা মাথা কিছু জানেন না বা কম্পিউটারেই নতুন। তারা কীভাবে শুরু করবেন তাদের কিছু টিপস থাকবে এই প্রথম টিউনে। 
হ্যাকার কতো প্রকারঃ
হ্যাকার আসলে মুখে মুখে অনেকে বলেন কিন্তু প্রকৃত হ্যাকার কতো ধরণের তা একটি ইংলিশ ব্লগে একবার পড়ছিলাম। সেখান থেকে আমি নিজে কিছু নিয়ে আসলাম।
(এটাকে প্রকার না বলে এক লেখকের মতে কিছুটা ভাগ করার চেষ্টা ভাবতে পারেন)
হ্যাকার মোটামুটি ৬ ধরণের-
১) রকি হ্যাকার (rookie hacker)
এই ধরণের হ্যাকারকে আসলে হ্যাকার বলা কঠিন। এরা টেকনোলজির প্রতি অধিক আগ্রহ থেকে এই কাজে নতুন। তারা ছোট খাটো অনলাইন কিছু একাউন্ট হ্যাক করতে পারে আরকি। তবে সব সময় সফল ভাবে কোনটাই হ্যাক করতে পারে না। অধিক দুর্বলতা থেকে তারা এই কাজগুলো করতে সক্ষম হয়।
২) বিগেনার (beginner)
বিগেনার হ্যাকাররা মোটামুটি কম্পিউটার নলেজ ভালো, হালকা-পাতলা প্রোগ্রাম সল্ভ করতে পারে। হ্যাকিং এর কাজে এরা সফল হয় বটে তবে ছোট থেকে বড় ধরণের ভুলটাই বেশি করে।
৩) ইন্টারমিডিয়েট হ্যাকার (intermediate hacker)
বিগেনার লেভেল থেকে অনেক উন্নত। বেশির ভাগই মোবাইল, ট্যাবলেট বা পিসি সব ধরণের ডিভাইস নিয়ে তারা গবেষণা করে আর প্রোগ্রাম সল্ভে তারা মোটামুটি ভালোই দক্ষ। নিজেদের পার্সোনাল নেটওয়ার্ক করার চেষ্টা থাকে।
৪) এক্সপার্ট হ্যাকার (expert hacker)
আগের হ্যাকারদের বস বলতে গেলে। সব ধরণের সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার হ্যাকিং এর সাথে তারা জড়িত। তবে এই লেভেলের হ্যাকার যে সব কিছুতে দক্ষ তবে যে সব পথ চেনা তেমন নয়। সেজন্য এক্সপার্ট হ্যাকাররা চেষ্টা অনেক বেশি পড়াশুনা করে এবং নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টার জন্য ডেডিকেশনতো থাকেই।
৫) বিজনেস হ্যাকার (Business hacker)
এই লেভেলের হ্যাকাররা দেশের উপকার করে বা নিজে প্রোগ্রাম সল্ভের মাধ্যমে নিজে ক্যাশ ম্যানেজ করতে সক্ষম থাকে। হ্যাকিং এবং প্রোগ্রামিং এ খুব দক্ষ তারা। তবে অন্যের ক্ষতির খুব বেশি কারণ তারা হয় না।
৬) ইলিগ্যাল হ্যাকার (illegal hacker)
এই হ্যাকার অনেক সময় ক্র্যা-কারস (crackers) নামে পরিচিত। ব্যাংক ডাকাতি বা অন্যান্য অনলাইন অপরাধ চক্রের সাথেও তাদের থাকে ভালো উঠাবসা।
তবে আমরা হ্যাকিং শিখবো ৫ নম্বর পর্যন্ত উঠে আসার জন্য। আমরা দেশের সম্পদ হবো, মানুষকে হেল্প করবো। এই লেভেলে আমাদের অনুপ্রবেশ থাকবে না!! কি বলেন? 
আরও একটি স্পেশাল হ্যাকিং টিউন আপনাদের জন্য-
তাহলে হ্যাকিং লাইফ শুরু করতে কীভাবে শুরু করবেন-
১) কম্পিউটারের বেসিক সব কিছু সম্পর্কে ধারণা তৈরি করুন।
২) বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের খুঁটিনাটি জানতে থাকুন। মনে রাখবেন হ্যাকিং একটি আর্ট, সেহেতু এই আর্ট আয়ত্ত করতে আপনাকে বেশ পরিশ্রম করতে হবে বৈকি।
৩) তবে একটা পর্যায়ে আপনাকে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে যেকোনো একটি পার্টকেই বেঁছে নিতে হবে। তাহলে আপনার দক্ষতা বাড়বে একটি বিষয়ে।
৪) কম্পিউটারের সকল পার্ট, ফাংশন সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। যতো পারুন গভীরে।
৫) কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা অপারেট নিয়ে যা পাবেন পড়তে থাকুন এবং আগের বিষয়গুলো যতো পারেন রিপিট করুন। তাহলে আপনার বেসিক অনেক ভালো হবে।
৬) কীভাবে একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার কমান্ডের মাধ্যমে কাজ করে জানতে চেষ্টা করুন। মনের ভেতর শুধু প্রশ্ন তৈরি করবেন। সাথে সাথে তা বের করার সকল পদ্ধতি।
৭) এবার আসুন আসল জায়গায়। অর্থাৎ প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করুন। একজন রিয়েল হ্যাকার একজন ভালো মানের প্রোগ্রামার। সেহেতু C, C++, Java অথবা BASIC এ ধরণের ভালো মানের কোন প্রোগ্রামিং শিখতে থাকুন। (86 প্লাটফর্মে) সাথে পার্ল (Perl) এর মতো কোন স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজও শিখতে থাকুন। ব্যাচ (Batch) এ স্ক্রিপ্টিং শেখা আরও উপকারী। কারণ এটি উইন্ডোজে খুব কাজে দিবে। 
হ্যাকিং সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই কম। সেহেতু কারো কোন পরামর্শ থাকলে আমাকে টিউমেন্টে জানাতে পারেন। আর সব সময় মনে রাখবেন হ্যাকিং একটি আর্ট। সেহেতু আপনাকে জানতে হবে অনেক বেশি এবং নতুন সব শেখার প্রতি থাকতে হবে প্রবল আগ্রহ।
(শুধু মাত্র নতুনদের জন্য)
আপনাদের প্রোগ্রামিং লাইফ আরও সুন্দর হোক এই কামনায় আজ এখানেই শেষ করছি।
Thanks for Everyone
Subscribe to:
Posts (Atom)

